ইলেক্ট্রনিক মেইল কি?
ইলেক্ট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো ডিজাটাল বার্তা। যেখানে কাগজ কলম ব্যবহার করার পরিবর্তে ব্যবহার করাহয় কিবোর্ড এবং ফোন বা কম্পিউটার।
ইমেইল এড্রেস লেখার ক্ষেত্রে সবার প্রথমেই কাস্টম ইউজার নেইম লেখা হয় এবং @ এর পরে ডোমেইন নেইম লেখা হয়। যেমনঃ name@gmail.com

ইমেইল কেন ব্যবহার করা হয়?
প্রতিদিন ইমেইল ব্যবহারের পিছনে যথেষ্ট কারন রয়েছেঃ
দ্রুততাঃ ইমেইল পাঠানোর ক্ষেত্রে সময়ের স্বল্পতাই কিন্তু ইমেইলকে জনপ্রিয় করে তুলেছে। এখন সেকেন্ডেই কিন্তু বাসার পাশের মানুষ বা পৃথিবীর অপর প্রান্তের মানুষের সাথে খুব সহজেই যোগাযোগ করা যায়।
সুবিধাঃ কিছু ক্ষেত্রে ফোন কলের থেকেও ইমেইল বেশি কাজে দেয়। যেমনঃ একজন ব্যক্তিকে আপনি ফোন নাম্বার দিবেন, এক্ষেত্রে ফোন কলের মাধ্যমে দিতে হলে আগে নাম্বার কাগজে লিখে এরপর ফোনে বলতে হবে। কিন্তু আপনি একটা ইমেইলের মাধ্যমেই কাজটি সহজেই সেড়ে ফেলতে পারেন।
সংযুক্তিঃ ইমেইলে কোন সংযুক্তি পাঠানো খুবই সহজ এবং সিম্পল। চাকরির আবেদনে সিভি পাঠাতে হবে? ইমেইলেই সংযক্ত করে দিন!
তথ্য ভান্ডারঃ ইমেইলে কিন্তু আপনার প্রতিটি কনভারসেশনের তথ্য সংরক্ষন করে। এ কারনে ইমেইল প্রিন্ট করা খুবই সহজ হয়। উপরন্তু, ইমেইল প্রোভাইডারদের বিশাল স্টোরেজে আপনি অনায়েসে তথ্য রেখে দিতে পারেন।
অফুরন্ত জায়গা এবং সময়ঃ ফোনে এসএমস পাঠাতে কিন্তু একটা নির্দিষ্ট ক্যারেক্টারের মধ্যে দিতে হয়। ইমেইলে সেই বাধাধরা নেই, মানে যত ইচ্ছা লিখে যান, বলার কেউ নেই। যত সময় নিয়েই আপনি লিখুন এবং রিভাইজ করুন কোন সমস্যা নেই।
নিরাপত্তাঃ এমন কিছু ইমেইল সার্ভিস প্রোভাইডার রয়েছে যারা আপনার পাঠানো মেসেজকে ৫/৬ লেয়ারের নিরাপত্তা দিয়ে থাকে যাতে সেগুলো প্রেরক এবং প্রাপক ছাড়া অন্য কেউ দেখতে না পারে।
টেলিকনফারেন্সঃ
টেলিযোগাযোগ সিস্টেমের মাধ্যমে বিভিন্ন দুরত্বে অবস্থানকারী ব্যক্তিদের নিয়ে কোন সভা বা সেমিনার অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়াকে বলা হয় টেলিকনফারেন্সিং। এ ব্যবস্থায় সভায় অংশগ্রহণকারীরা কি-বোর্ডের মাধ্যমে তাদের বক্তব্য কেন্দ্রীয় কম্পিউটারে পাঠায়। বিশ্বের যে কোন জায়গা যেখানে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে, সেখান থেকে টেলিকনফারেন্সিং করা সম্ভব।
ভিডিও কনফারেন্সঃ
টেলিকমিউনিকেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে দুই বা ততোধিক ভৌগোলিক অবস্থানে অডিও ও ভিডিও এর যুগপৎ উভমুখী স্থানান্তর প্রক্রিয়াকে ভিডিও কনফারেন্সিং বলে। Skype বা ইয়াহু মেসেঞ্জার ব্যবহার করে ভিডিও কনফারেন্সিং করা যায়।

আউটসোর্সিং কিঃ
আউটসোর্সিং তথা ফ্রিল্যান্সিং শব্দের মূল অর্থ হল মুক্ত পেশা। অর্থাৎ মুক্তভাবে কাজ করে আয় করার পেশা। আর একটু সহজ ভাবে বললে, ইন্টারনেটের ব্যাবস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের কাজ করিয়ে নেয়। নিজ প্রতিষ্ঠানের বাইরে অন্য কাউকে দিয়ে এসব কাজ করানোকে আউটসোর্সিং বলে।